বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম :
ঐকমত্য কমিশন ও গণভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেনের প্রশ্ন জ্বালানি সংকটে দেশজুড়ে হাহাকার: লোডশেডিং ও গ্যাস যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ জনজীবন রাণীশংকৈলে সিসি ক্যামেরার আওতায় ২,৭৪৩ পরীক্ষার্থী বিনা অনুমতিতে ভিডিও করলেই দ্রুত বিচার: ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিধান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে চূড়ান্ত ৩৬ জনের নাম ঘোষণা সালথায় অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সহকারী শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর; আহত অন্তত ২০ মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকলে পাকিস্তানে যাবে না ইরান: তেহরানের নতুন শর্ত পঞ্চগড়ে ৫ বছরের কম বয়সী ১ লক্ষ ৩৬ হাজার শিশু পাবে হামের টিকা

বিনা অনুমতিতে ভিডিও করলেই দ্রুত বিচার: ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিধান

Coder Boss
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, জাতীয় সংসদ ডেস্ক ॥
‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া কারো ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার। ২০২৬ সালের নতুন সাইবার সুরক্ষা আইনে ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের ১৮তম দিনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এসব তথ্য জানান। নেত্রকোণা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবাজিতে কঠোর দণ্ড
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, নতুন পাস হওয়া ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর ২৫(১) ধারা অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইলিং বা ক্ষতিকর আচরণ দণ্ডনীয় অপরাধ।

সাধারণ ক্ষেত্রে: অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা।

নারী ও শিশু ভুক্তভোগী হলে: অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা।

চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে: ধারা ২২ (সাইবার প্রতারণা) অনুযায়ী অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

দ্রুত অপরাধী শনাক্তে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা
মন্ত্রী জানান, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক এখন থেকে যেকোনো ক্ষতিকর কনটেন্ট তাৎক্ষণিক ব্লক করার ক্ষমতা রাখেন। এছাড়া অপরাধের আলামত হিসেবে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেম পরোয়ানা ছাড়াই জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে (ধারা ৩৫)। অপরাধের ধরন শনাক্ত করতে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব কাজ করবে, ফলে ভিডিওর উৎস ও ব্যক্তির পরিচয় দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৯০ দিনে তদন্ত ও বিচার
তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়া রোধে আইনে বিশেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ধারা ৩২ অনুযায়ী, অভিযোগের তদন্ত ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যাতে ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিচার পান। দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত অপরাধের ক্ষেত্রেও ‘পারস্পরিক সহায়তা আইন, ২০১২’ প্রয়োগ করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সুরক্ষা
সরকার এই সমস্যা সমাধানে একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো ও অবকাঠামো তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক সনদধারী বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সাইবার স্পেস রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্লক করা কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া সাইবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম সীমান্ত পেরিয়ে আসা সাইবার অপরাধ দমনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102