সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন, পাঁচ শ্রমিকের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার ‎”বাল্যবিবাহ দিলেই লাইসেন্স বাতিল” লালমনিরহাটে নিকাহ রেজিস্টারদের সতর্ক করলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু গণভোট না মানলে ফ্যাসিবাদের সূচনা হবে: ডা. শফিকুর রহমান সালথায় মাদক বিক্রির অভিযোগে যুবকের চুল কেটে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা ধামরাইয়ের দুই নক্ষত্র এক ফ্রেমে: নেট দুনিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন তমিজ উদ্দিন ও মুরাদ ট্রাম্পের ঔদ্ধত্যে ফুঁসছে রিয়াদ: ভাঙনের মুখে শত বছরের সউদী-আমেরিকা মৈত্রী! শিক্ষকশূন্যতায় ধুঁকছে কাউখালীর দুই সরকারি বিদ্যালয়: পাঠদান লাটে, সংকটে শিক্ষার্থীরা সংবাদ প্রচারের আগে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী ‘সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই মানুষ’: নবাবগঞ্জে সনাতনীদের সংবর্ধনায় আবু আশফাক এমপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে আজ ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষায় দীর্ঘসূত্রিতা বন্ধে সংস্কারের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

Coder Boss
  • Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক ও বাসস ॥
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বর্তমান দীর্ঘসূত্রিতা দূর করতে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল ও কার্যকর সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণে অহেতুক বিলম্বের কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে একটি বড় ক্ষতি।

রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) সরকারি কলেজের শিক্ষকদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় গতিশীলতার তাগিদ
শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ক্লাস ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা শেষ করে ফেলে। অথচ শিক্ষা বোর্ডগুলো পাবলিক পরীক্ষা নিতে পরবর্তী বছরের এপ্রিল বা জুন মাস পর্যন্ত সময় ব্যয় করছে। এই দীর্ঘসূত্রিতা কোনোভাবেই কাম্য নয়।” এই প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে দ্রুত কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষকরাই জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের বিশেষ মর্যাদার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. মিলন বলেন, “শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার গুরুদায়িত্ব আপনাদের ওপরই ন্যাস্ত।” পেশাগত জীবনে নানা চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষকদের নৈতিকতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

শিক্ষা খাত একটি ‘ইবাদতখানা’
শিক্ষা দানকে পুণ্যময় কাজ হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষা খাত হলো একটি ‘ইবাদতখানা’। প্রতিটি মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রমের ফলাফল একটি স্থায়ী কল্যাণ বা ‘সাদকায়ে জারিয়া’। শিক্ষকদের উচিত প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তানের মতো গড়ে তোলা।” উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকাকে তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন।

নায়েমের মহাপরিচালক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102