সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন, পাঁচ শ্রমিকের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার ‎”বাল্যবিবাহ দিলেই লাইসেন্স বাতিল” লালমনিরহাটে নিকাহ রেজিস্টারদের সতর্ক করলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু গণভোট না মানলে ফ্যাসিবাদের সূচনা হবে: ডা. শফিকুর রহমান সালথায় মাদক বিক্রির অভিযোগে যুবকের চুল কেটে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা ধামরাইয়ের দুই নক্ষত্র এক ফ্রেমে: নেট দুনিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন তমিজ উদ্দিন ও মুরাদ ট্রাম্পের ঔদ্ধত্যে ফুঁসছে রিয়াদ: ভাঙনের মুখে শত বছরের সউদী-আমেরিকা মৈত্রী! শিক্ষকশূন্যতায় ধুঁকছে কাউখালীর দুই সরকারি বিদ্যালয়: পাঠদান লাটে, সংকটে শিক্ষার্থীরা সংবাদ প্রচারের আগে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী ‘সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই মানুষ’: নবাবগঞ্জে সনাতনীদের সংবর্ধনায় আবু আশফাক এমপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে আজ ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

রণজয়ের নায়ক জেনারেল ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ

Coder Boss
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও সিলেট অফিস ॥
বাঙালি জাতির অহংকার, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৫ বছর বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার ইচ্ছা অনুযায়ী সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

জাতির এই বীর সন্তানের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকাল ১১টায় ঢাকার ‘রাওয়া’র হেলমেট হলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সিলেটে তাঁর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

এক বর্ণাঢ্য সামরিক জীবন
বঙ্গবীর ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে তার সামরিক জীবনের সূচনা। ১৯৪০ সালে দেরাদুন সামরিক একাডেমি থেকে কমিশন প্রাপ্তির পর মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সর্বকনিষ্ঠ ‘মেজর’ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মা রণাঙ্গনে তিনি অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শন করেন।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৫৫ সালে গুরুত্বপূর্ণ ‘জেনারেল স্টাফ অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৫৬ সালে তিনি কর্নেল পদে পদোন্নতি পান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধ
সামরিক জীবন শেষে ওসমানী রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রণকৌশল নির্ধারণ ও মুক্তিবাহিনীকে সুসংগঠিত করার গুরুভার পড়ে তাঁর কাঁধে। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও সমরকুশলতায় ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের। স্বাধীনতার পর তিনি নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

দেশপ্রেম ও চারিত্রিক দৃঢ়তার জন্য এই কিংবদন্তি সেনাপতি ইতিহাসের পাতায় ‘বঙ্গবীর’ হিসেবে চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102