নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ॥
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ব্যক্তিগত পদ-পদবি বা কে মন্ত্রী-এমপি হলেন সেটি বড় বিষয় নয়; বরং শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করাই এখনকার মূল লক্ষ্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “শুধু ২০৩১ সাল নয়, ইনশাআল্লাহ ২০৩৭ এবং ২০৪২ সাল পর্যন্ত তারেক রহমানই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।”
সোমবার (৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় এই সভার আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যে ফারুক বলেন, “এখন আর জোর গলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় নয়। নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে সোচ্চার ছিলাম এবং জনগণ আমাদের বিপুল ভোটে সমর্থন দিয়েছে। এই সরকারের অধীনেই মরহুমা নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। তাই এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা।”
সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। এই নতুন সরকারের শাসনামলে এজলাসে লাথি মারা হবে না, কাউকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হবে না এবং ভিন্নমতের কারণে কোনো নাগরিককে হয়রানি করা হবে না।”
উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ইতিমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু হয়েছে এবং খুব দ্রুতই ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে। এছাড়া দেশব্যাপী এক কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে। ফারুক জোর দিয়ে বলেন, “আমরা প্রমাণ করে দেব যে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার লিগ্যাসি বহন করে একমাত্র তারেক রহমানই দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে প্রকৃত কাজ করতে পারেন।”