বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য। সেই আলোচনায় রয়েছে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক লড়াকু নাম উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা। বান্দরবান জেলা মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সাধারণ সম্পাদক লীনা পাহাড়ের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যিনি দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজপথে অবিচল।
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতির সাথে তার নিবিড় বান্দরবানের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া লীনা বর্তমানে বান্দরবান জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলের প্রতি তার আনুগত্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রমাণ মিলেছে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, যেখানে তিনি বিএনপির বিকল্প প্রার্থী হিে হিসেবে মনোনীত হয়ে দলের আস্থা ও উচ্চ পর্যায়ের স্বীকৃতি অর্জন করেন। ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রাতিদ্বন্দিতা করে জনগণের বিপুল ভালোবাসা অর্জন করেন লীনা।
বর্তমানেও বান্দরবান ওম্যান চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং এফবিসিসিআই-এর সাধারণ সদস্য হিসেবে । কেবল রাজনৈতিক নয়, পারিবারিক ঐতিহ্যেও তিনি সমৃদ্ধ। তার স্বামী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং একজন ত্যাগী নেতা, যিনি রাজপথের আন্দোলনে একাধিকবার কারাবরণ করেছেন।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক ও পেশাজীবিদের মতে, বান্দরবান ৩০০নং আসানের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে থেকে কঠিন দুসময়েও উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক, জনকল্যাণমূলক কাজের কারণে বান্দরবানের সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটি আলাদা অবস্থান রয়েছে। তাদের মতে, মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য পদ নিয়ে আলোচনায় তার নামটি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সুযোগ পেলে তিনি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে পারবেন এমনটি প্রত্যাশা বিএনপির তৃণমূলের একটি অংশের। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা বলেন, পার্বত্য জনপদের অবহেলিত নারীদের কণ্ঠস্বর হতে চাই। সংরক্ষিত মহিলা আসনে সুযোগ পেলে পাহাড়ী-বাঙালী নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার রক্ষা এবং বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করতে আমি বদ্ধপরিকর।