রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২০শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম :
দুর্নীতি ও বঞ্চনার ৫৪ বছরের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান প্রার্থীদের সহিষ্ণুতায় প্রধান উপদেষ্টার সন্তোষ, কাল থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপদ নিউজের সফলতার ১২ বছর উত্তরাঞ্চলকে শিল্প জোনে রূপান্তরের অঙ্গীকার তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গে আজ তারেক রহমানের নির্বাচনী সফর: প্রস্তুত তিন জেলা নির্বাচনি প্রচারে আজ সিলেটে যাচ্ছেন জামায়াত আমির কারাগারে অসুস্থ হয়ে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু আজকের নামাজ: জেনে নিন ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর সময়সূচি রয়টার্সকে তারেক রহমান: ‘নির্বাচন পরবর্তী সরকারে জামায়াতকে সঙ্গী করবে না বিএনপি’ প্রবীণ সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল আর নেই: আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে জানাজা

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও বেতন বৃদ্ধি: অপপ্রচারের জবাব দিলেন ড. ইউনূস

Coder Boss
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ॥
২২ জানুয়ারি, ২০২৬, এক সময় যাদের ‘সুদখোর’, ‘পাশ্চাত্যের দালাল’ কিংবা ‘ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে অপবাদ দেওয়া হতো, সেই ড. ইউনূস প্রশাসনই দেশের আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় সেবকদের জন্য ইতিহাসের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান নিশ্চিত করেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা আর তুচ্ছতাচ্ছিল্যের শিকার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বৈপ্লবিক বেতন কাঠামো নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়ে ড. ইউনূস এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বিসিএস ক্যাডারের উপরে ইমামদের বেতন
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইমামদের বেতন কাঠামোকে রাষ্ট্রীয় ৬ষ্ঠ গ্রেডে উন্নীত করেছে। উল্লেখ্য যে, একজন বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা সাধারণত ৯ম গ্রেডে চাকুরিতে যোগদান করেন। অন্যদিকে, মুয়াজ্জিনদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ম গ্রেডে, যা একজন নব্য বিসিএস কর্মকর্তার সমমান। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে ইমাম-খতিব
শুধু আর্থিক সুবিধাই নয়, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইমাম ও খতিবদের নির্বাচনের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে ধর্মীয় নেতাদের কেবল মসজিদের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশ পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা হলো। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তারা এখন আর চাইলেই ইমামদের ওপর অন্যায্য প্রভাব খাটাতে পারবেন না এবং ধর্মীয় সভা-সেমিনারে অযাচিত হস্তক্ষেপের সুযোগও কমে আসবে।

বিগত সরকারের ‘মোল্লা কার্ড’ ও বর্তমান বাস্তবতা
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে নানামুখী প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছিল যাতে তিনি জনসমর্থন না পান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনা কৌশলে ড. ইউনূসকে আলেম সমাজের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করেছিলেন। রাজনীতিবিদরা বরাবরই ‘মোল্লা কার্ড’ খেলে আলেমদের নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে রেখেছেন এবং ‘জঙ্গি’ তকমা দিয়ে ফায়দা লুটেছেন।

কিন্তু বর্তমান সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করেছে যে, ড. ইউনূস আলেমদের প্রকৃত ‘নেতা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। এখন আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বললে বা খুতবায় সত্য তুলে ধরলে ইমামদের মামলার ভয় দেখানো কিংবা হয়রানি করার সুযোগ নেই।

সচেতন হওয়ার আহ্বান
প্রতিবেদনের শেষে সাধারণ মানুষকে কোনো গুজবে কান না দিয়ে সত্য-মিথ্যা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে দেশের প্রকৃত সম্পদ কারা এবং কারা দেশের মানুষের সম্মানের কথা ভাবে, তা অনুধাবন করার সময় এসেছে। হুজুগে না মেতে প্রকৃত উন্নয়ন ও সম্মানের মূল্যায়ন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102